ইবনে সিনা হাসপাতালের এক চিকিৎসকের অমানবিক আচরণের অভিযোগ, অসন্তোষ প্রকাশ করলেন সিনিয়র সাংবাদিক ফয়সাল আলম


admin প্রকাশের সময় : জুন ১১, ২০২৬, ১৭:৪৪ /
ইবনে সিনা হাসপাতালের এক চিকিৎসকের অমানবিক আচরণের অভিযোগ, অসন্তোষ প্রকাশ করলেন সিনিয়র সাংবাদিক ফয়সাল আলম

ইবনে সিনা হাসপাতালের চিকিৎসক আওলাদ হোসেন এর অমানবিক আচরণের অভিযোগ, অসন্তোষ প্রকাশ করলেন সিনিয়র সাংবাদিক ফয়সাল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক ফয়সাল আলম। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি ইবনে সিনা হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণের অভিযোগ করেন।

ফয়সাল আলম জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ১৭ মে তিনি ইবনে সিনা হাসপাতালের রিকাবীবাজার শাখায় ডা. আওলাদ হোসেনের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসক তাকে কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর পাশাপাশি ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন। পরে ওষুধ সেবনের কয়েকদিনের মধ্যে তার হাত কাঁপা, হাঁটাচলায় সমস্যা ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা দেখা দেয় বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সমস্যা দেখা দেওয়ার পর ওষুধ বন্ধ করে কিছুটা সুস্থ হয়ে পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু সেখানে তিনি নিজের সমস্যার কথা বিস্তারিতভাবে বলার সুযোগ পাননি। চিকিৎসক তাকে নতুন করে টিকিট কেটে আসার পরামর্শ দেন এবং তার বক্তব্য শোনার সুযোগ না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে চেম্বার ত্যাগ করেন।
এ সময় হাসপাতালের কাস্টমার কেয়ার বিভাগের কর্মকর্তারা তার সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনার চেষ্টা করেন। তবে তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও আশানুরূপ সাড়া পাননি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ফয়সাল আলম ইবনে সিনা হাসপাতালের সেবা বর্জনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি তার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হাসপাতালের বিদ্যমান কর্পোরেট চুক্তি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিংবা অভিযুক্ত চিকিৎসকের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাদের মতামত পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, উল্লিখিত অভিযোগগুলো সাংবাদিক ফয়সাল আলম এর ব্যক্তিগত বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।