

সাংবাদিক হাসানুল হক উজ্জলের বিশ্লেষণ-
ড.মকবুল হোসেন লেচু মিয়া, সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসন থেকে ২ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। অত্যন্ত মানবিক ও অমায়িক ব্যবহার তাকে জনগণের দোরগোড়ায় অল্প দিনেই পৌছাতে সক্ষম হয়েছিল। বিশিষ্ট শিল্পপতি এই মানব হিতৈষী এলাকার উন্নয়নে দু‘হাত খুলে ব্যয় করেছেন। মানুষের অভাব অনটনেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন নির্ধিদায়। মসজিদ-মন্দির, রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে তার অবদান ছিল চোঁখে পড়ার মতো। দুই দুই বার এমপি নির্বাচিত হলেও ছিল না কোন বাহিনী। দালাল সৃষ্টি পছন্দ করতেন না। তাই উন্নয়ন বণ্ঠন করতেন নিজে।
এবারও এই আসনে এমন একজন মহত ব্যক্তি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। জনগণ সেই মকবুল হোসেন লেচু মিয়ার বিকল্প হিসেবে তাকে দেখতে শুরু করেছেন। নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই তিনি বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল দাঁপিয়ে বেড়িয়েছেন। যেখানে সমস্যা দু‘হাতে অর্থ দিয়ে সমাধান করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। তার কল্যাণে বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জে ইতোমধ্যে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ধর্ণাঢ্য পরিবারের সন্তান ফখরুল ইসলাম একজন মানবিক ব্যক্তি হিসেবে মানুষের হৃদয় জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।
গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজারের সচেতন মানুষের চোঁখে তিনি বিকল্প লেচু মিয়া। তার উন্নয়ন কর্মকান্ড, ভদ্রতা, নম্রতা মানুষকে আকৃষ্ট করেছে।
হেলিকপ্টার প্রতিক নিয়ে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম। তাকে পেয়ে জনগণ উচ্চসিত। তার সাবলিল বক্তব্যে সাধারণ ভোটারের মধ্যে প্রাণের সঞ্চার হচ্ছে। তিনি সিন্ডিকেট মুক্ত থেকে জনগণের সেবা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। এলাকার সকল ধরণের উন্নয়ন কর্মকান্ড সরকারের বরাদ্দের পাশাপাশি নিজের অর্থেও করবেন বলে আশ্বস্থ করছেন।
ইতোমধ্যে তার মহত কর্মগুলো মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। তাই এই আসনে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে হাফিজ ফখরুল ইসলামের হেলিকপ্টার প্রতিক বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবে এমন মন্তব্য এখন মুখেমুখে।
আপনার মতামত লিখুন :