

ফয়ছল আলম: এয়ারপোর্টে মহড়া চান না,নিজের জন্য গাড়ি বহরের শোভাযাত্রা চান না, গ্রামের ভেতরে গণসংযোগ করেন, ক্ষেতের মাঠে যান,সার বীজ বিতরণ করেন কৃষকদের মাঝে। চায়ের স্টলে বসে সাধারণ মানুষের কথা শোনেন। এলাকায় এলাকায় গিয়ে রাস্তার সমস্যা নোট করেন, নদীর পাড় রক্ষার পরিকল্পনা করেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষক আর শিক্ষার্র্থীদের বক্তব্য শুনেন, ফুটবলের মাঠে গিযে অতীত খোঁজেন, দলের নেতা কর্মীদের বলেন মহড়া দেবেন না। নেতা এগুলো পছন্দ করেন না। বলেন যেভাবে মানুষের মন জয় করা যায় সেভাবেই কাজ করুন। আসলেই অহিদ ভাই, আপনার অনুভূতির সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। আপনার নেতা যদি এরকম বাংলাদেশ চান তবে আমরাও সেরকম দেশ চাই। নেতা চাই, মানুষ চাই।
কারণ একজন সংবাদকর্মী হিসেবে দেখেছি, দেশের মানুষ মহড়া, গাড়ি বহর, দাপট খাটানো এগুলো কতটুকু অপছন্দ করে। আজ আপনি তাদেরকে আপনার পেছনে শ্লোগান দিতে বলবেন দুদিন পরে তারাই আপনাকে ডুবাবে। গলির মুখে বেঞ্চ বসিয়ে আড্ডা দেবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাস টার্মিনাল, এয়াপোটের্, রেল স্টেশনে গিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চাইবে। থানায় গিয়ে দালালির জন্য বসে থাকবে। আপনার নাম ভাঙাবে। প্রভাব খাটাবে। এসব আর চায়না দেশের মানুষ। বিগত দিনগুলোর খারাপ সংস্কৃতি দেশের মানুষ ভুলে থাকতে চায়।
অহিদ ভাই আপনার প্রচারণার কৌশল সঠিক। সাধুবাদ জানাই আপনাকে। চাইলে আপনি সব পারেন। সব যোগ্যতা এবং সামর্থই আপনার আছে । জন্মাটিতেই আপনি রাজনীতি শুরু করেছেন। বিদেশের মাটিতেও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। দল ও দেশের জন্য ত্যাগ এখনও আপনার নেতাকর্মীরা এখনো সবখানেই স্বীকার করছেন। সুতরাং আপনাদের মতো নেতাদেরকেই প্রমাণ করতে হবে- যুদ্ধংদেহী মনোভাব ছাড়াও এভাবে মানুষের মন জয় করা যায়। আগামীর রাজনীতি এমনই হোক। আমার প্রশ্ন অহিদ ভাই, এই মাটিতে আপনার অনেক ত্যাগ, অনেক ম্রম আছে। আপনাদের পরিবারের অবদান আছে। একারণে যেখানেই যাচ্ছেন সেখানে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। তবু যে রাজনৈতিক সংস্কৃতির সুচনা করতে চাচ্ছেন তা শেষ পর্ন্ত ধরে রাখতে পারবেন তো?
উপ সম্পাদক: গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজার সংবাদ
আপনার মতামত লিখুন :