প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার আহ্বান জালালাবাদ মক্তব শিক্ষাবোর্ড ঢাকাদক্ষিণের


admin প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৫:৫৫ /
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার আহ্বান জালালাবাদ মক্তব শিক্ষাবোর্ড ঢাকাদক্ষিণের

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগের ইসলাম বিদ্বেষী সিদ্ধান্ত বাতিল করে অবিলম্বে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জালালাবাদ মক্তব শিক্ষাবোর্ড ঢাকাদক্ষিণ, গোলাপগঞ্জ সিলেটের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং) বোর্ডের সভাপতি মাওলানা খায়রুল আমিন আনওয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক হাফিয নোমান মাহফুজ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, এদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯০ ভাগ শিক্ষার্থী মুসলিম পরিবারের সন্তান। তারা কোরআন পড়তে পারে না, নামাজ সঠিকভাবে আদায়ের নিয়ম জানে না। ধর্মীয় জ্ঞান না থাকায় সন্তান অবাধ্য ও উসৃঙ্খল হচ্ছে। ফলে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ দেশের মুসলমানরা সরকারকে ট্যাক্স দিচ্ছে। রাষ্ট্রের কাজ মুসলিম সন্তানদের কুরআন শিক্ষা দেয়া। যে সরকার মুসলমানদের সন্তানকে কুরআন শিক্ষার দায়িত্ব নিতে পারে না, সেই সরকার নাচ-গান শিক্ষার জন্য বাধ্য করবে তা দেশবাসি মেনে নিবে না। রাষ্ট্রীয় অর্থে নৃত্য ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাকে খুশি করতে চায় আমাদের বোধগম্য নয়।

প্রাইমারী স্কুলগুলোতে কোমলমতি মুসলিম শিক্ষার্থীদের সহিহ শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন শরীফ ও জরুরি মাসআলা-মাসায়েল ও নৈতিক শিক্ষা দেয়ার জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত আলেম শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

অবিলম্বে এ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় দেশব্যাপী উলামায়ে কেরাম ও দ্বীনদরদী অভিভাবকদের আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে এবং সৃষ্টি পরিস্থিতির জন্য সরকারকে দায় নিতে হবে।

নেতৃবৃন্দ এরই সাথে বিলুপ্তপ্রায় মক্তব শিক্ষার পুনর্জাগরণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সময় সকাল ১০ টা থেকে নির্ধারণ করার আহবান জানান। যাতে করে ৯০ ভাগ মুসলমানের এ দেশে কোমলমতি শিশুরা অতীতের ন্যায় মক্তব শিক্ষার মাধ্যমে শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন শরীফ ও জরুরি মাসআলা-মাসায়েল ও নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।