

হালান্ডের দ্বিতীয় গোলটা জালে যেতেই মাঠে থাকা পুরো ব্রাজিল দলের মাথানিচু হয়ে গেল। ওখানেই যে লেখা হয়ে গেছে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভাগ্য! ২-১ গোলের হারে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন শেষ। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়। শেষের দিকে পেনাল্টি থেকে নেইমার একটা গোল শোধ করেন। তবে সেটা ব্রাজিলের হারের ব্যবধান খানিকটা কমাল শুধু। ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি ব্রাজিল।
এই ম্যাচে নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ছিল ব্রাজিল। সেই চিন্তায় ডুবল তারা। সেই হালান্ডের কাছেই হারল! প্রথম গোল তার হেডে ৭৯ মিনিটে। দ্বিতীয় গোল বা পায়ের দুর্দান্ত ভলিতে। বলা যায় হালান্ডের মাথা এবং পায়ে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন চুর্ণ!
আর কি আশ্বয ম্যাচে দ্বিতীয় গোলটা করার পর কোনো বাড়তি উল্লাস দেখালেন না হালান্ড। শুধু মুচকি হাসলেন। সেই হাসিতেই ব্রাজিলকে জানিয়ে দিলেন, দেখ আমি কি করতে পারি! তার সেই হাসিতে যেন পুরো নরওয়ে হাসল সেই বিখ্যাত ভাইকিং রু’র বিখ্যাত হাসি।
দ্বিতীয়ার্ধে নেইমারকে নামিয়েও ব্রাজিলের রক্ষা হয়নি। রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে বড় দলের ব্র্যাকেটে থাকা প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে ছুটি হয়ে গেল ব্রাজিলের। নরওয়েকে এর আগে ব্রাজিল কখনো হারাতে পারেনি। সেই রেকর্ড অক্ষুন্ন রইল। নরওয়ে এখন বলতেই পারে ব্রাজিল আমাদের সঙ্গে আগেও পারেনি, এখনো পারে না!
আপনার মতামত লিখুন :