

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের মোকামবাজার সৈয়দ বাড়িতে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সালিশে উপস্থিত বিচারকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্যে ভুক্তভোগী সৈয়দ ইমরান আহমদ এসব অভিযোগ করেন।
বক্তব্যে সৈয়দ ইমরান আহমদ আরো বলেন,
সৈয়দ বাড়িতে আপন দুই ভাই সৈয়দ ওয়াহাব উদ্দিন ও সৈয়দ আব্দুল হামিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে আমি সৈয়দ ইমরান আহমদ, সৈয়দ ওয়াহাব উদ্দিন তার চাচাতো ভাই সৈয়দ শফি উদ্দিন, সৈয়দ তারেক আজিজ কালাম, সৈয়দ ইমরান আহমদ, সৈয়দ আব্দুল গফুর ও সৈয়দ মো. ইছহাকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পারিবারিকভাবে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে সমাধানের চেষ্টা চলাকালে হঠাৎ করে সৈয়দ আব্দুল হামিদ উত্তেজিত হয়ে সৈয়দ ওয়াহাব উদ্দিনের উপর তেড়ে যান। একপর্যায়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় সালিশে উপস্থিত ব্যক্তিরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দুইজনকে আলাদা করে দেন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার একজন এসআই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তিনি উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার এবং ভবিষ্যতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটানোর পরামর্শ দিয়ে চলে যান। ঘটনাস্থল থেকে সবাই চলে যাওয়ার পর সৈয়দ আব্দুল হামিদ গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আমি সহ সালিশে উপস্থিত বিচারক ও মধ্যস্থতাকারীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনে তাদের আসামি করা হয়েছে। এই মামলা সমাধানে আমায় থানায় ডাকা হলে আমি থানায় গেলে আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আমি একদিন কারাবরণ করে জামিনে আসি। এই মামলার বাকিরাও জামিন লাভ করেন।
সৈয়দ ইমরান আহমদ আরো বলেন, এ ঘটনায় আমরাও গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি জিডি করেছি। আমি এ ঘটনাত সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি। আমি এলাকাবাসী সহ দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।
আপনার মতামত লিখুন :