

ডিজিটাল এই যুগে বিশের অনেক মানুষ তথ্য আদানপ্রদান করে থাকে হওয়াটসাপে।বন্ধুবান্ধব কিংবা পছন্দের মানুষের সাথে কথা বলা পরিবারের সাথে কথা বলা বা চ্যাট করে থাকে অনেক মানুষ শুধু তাই নয় ভিডিও অডিও কলে সহজেই কথা বলা যায় বলে। বিশ্বের অনেক মানুষের কাছে জনপ্রিয় এই এ্যাপটি। অনেক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এর কাজের জন্য গ্রুপ তৈরী কিংবা সহজেই ওডিও ভিডিও কলে সহজেই যে কোন কাজ নিমিষেই শেষ করা যায় এ্যাপটির মাধ্যমে!
সারা পৃথিবীর অনেক মানুষের কাছে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি বর্তমানে মানুষের কাছে বিপদজনক হয়ে উঠেছে
সম্প্রতি এক ভয়ংকর তথ্য ফাঁস হয়েছে খুঁজ রেখেছেন কি? আমরিকা তাদের সকল সরকারি ডিভাইসে WhatsApp নিষিদ্ধ করার ঘোষনা দিয়েছে।
হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে—সরকারি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার—কোনোটাতেই আর WhatsApp ব্যবহার করা যাবে না।
ইজ্রেলের সাবেক একটি স্পাইওয়্যার কোম্পানি Paragon Solutions, তাদের তৈরি “Graphite” নামের একটি টুল দিয়ে প্রায় ৯০ জনের WhatsApp মেটাডেটা বিশ্লেষণ করেছে।
এটা শুধু মেসেজ পড়া নয়—আপনি কখন, কোথা থেকে, কার সাথে কথা বলছেন—এইসব ‘পেছনের তথ্য’ নিয়েই মূলত নজরদারি করা হচ্ছিল। ভাবা যায়? শুধু টেক্সট না, আপনার পুরো ডিজিটাল গতিবিধি কেউ একজন দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করছে।
এটা নিছক কোনো হ্যাকিং না—এটা সরাসরি গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি। আর তাই আমেরিকার মতো শক্তিধর দেশকেও কড়া পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।
বিশেষ করে ভয়াবহ বিষয় হলো ইস্রেল, যাকে আমেরিকা সব সময়ের মিত্র বলে মনে করে, তারাই এমন নজরদারির পেছনে রয়েছে। একবার চিন্তা করুন—আমেরিকা যদি নিজেদের গোপনীয়তা রক্ষায় WhatsApp বন্ধ করে দেয়, তাহলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য সেটা কতটা ভয়ংকর হতে পারে?
সোর্স: The Guardian, Reuters, CNBC and TRTWorld.
আপনার মতামত লিখুন :