টানা ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেট অঞ্চলে আবারও বন্যার পদধ্বনি দেখা যাচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারতের মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ি এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সিলেটের প্রধান নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে কুশিয়ারা, মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি ৬টি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সুরমাসহ কয়েকটি নদীর পানি একাধিক স্টেশন সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (বাপাউবো) এসব তথ্য জানিয়েছে।
এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ) পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার, মনু নদীর মনু রেলব্রিজ ও মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৫৫, ধলাই নদীর কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদী বল্লা (হবিগঞ্জ) পয়েন্টে ২২০ ও হবিগঞ্জ পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী, কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও শেরপুর (মৌলভীবাজার) এবং সোমেশ্বরী নদীর লরেরগড় (সুনামগঞ্জ) স্টেশনে পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের উজানে ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে সর্বোচ্চ ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ২৯৮ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, নদ-নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পূর্বাভাস ও সতর্কতা নিয়মিত প্রকাশ করা হবে।
সম্পাদক প্রকাশক : খন্দকার মোঃ বদরুল আলম । কার্যালয়, মার্ভেলাস টাওয়ার দিত্বীয় তলা ১০/১১ নং অফিস সিলেট-গোলাপগঞ্জ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ০১৭২০৫৫৪৫৯০। ই-মেইল : gbbartanews@gmail.com