সিলেট-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে গোলাপগঞ্জেই শুধু ৭জন শহিদ হয়েছেন। সেটা অত্যান্ত বেদনাদায়ক। এসময় অসংখ্য লোক আহত হয়েছেন। এই ফ্যাসিস্ট সরকার কোন উন্নয়ন করেনি। তারা শুধু দেশটাকে লুটেপুটে খেয়েছে। গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় কোন রাস্তাঘাট হয়নি। প্রতিটি রাস্তা ভাঙ্গাচোরা। নদীর ভাঙ্গন ভয়াবহ। ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ করেনি।
তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাদেপাশা ইউনিয়নের রাকুয়ারবাজারের রাস্তা নির্মাণ করা হবে। নদীভাঙ্গনরোধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার গোষণা দিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই এদেশের উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বিএনপি মানেই উন্নয়ন। আমাকে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারবাসী অনেক ভালবাসে। যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আমি তাদের ভালবাসার কাছে চিরঋণী।
এডভোকেট এমরান চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে কুশিয়ারা এলাকার লোকজন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এই এলাকাকে প্রধান্য দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে পৃথক দুইটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার চেষ্টা করবো। যাতে এই দুই উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থীরা ভাল করে লেখাপড়া করতে পারে।
তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বাদেপাশা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
স্থানীয় রাকুয়ার বাজারস্থ বাদেপাশা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাদেপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লোকমান উদ্দিন লকুছ।
সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন উদ্দিনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহমানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ আহমদ, মহি উদ্দিন বিবুল, মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল আহিজ, ঢাকাদক্ষিণ সরকারী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সুলতান আহমদ, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল জলিল সাবু, সিলেট ল কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রশিদ আহমদ মুন্না,শাহাব উদদ্দিন ডাহেদ ও পৌর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ।
সম্পাদক প্রকাশক : খন্দকার মোঃ বদরুল আলম । কার্যালয়, মার্ভেলাস টাওয়ার দিত্বীয় তলা ১০/১১ নং অফিস সিলেট-গোলাপগঞ্জ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ০১৭২০৫৫৪৫৯০। ই-মেইল : gbbartanews@gmail.com