
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ :
গত কয়েকদিন ধরে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রখর রোদ ও গরমে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে দিনমজুর, শ্রমজীবী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা প্রচণ্ড ভোগান্তিতে ছিলেন। প্রচণ্ড গরমে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছিল অনেকেই।
আজ বুধবার বিকেলের দিকে হঠাৎ করেই আকাশে কালো মেঘ জমে যায়। এরপর শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। সঙ্গে বইতে থাকে মৃদু শীতল বাতাস। এতে চারপাশে মুহূর্তের মধ্যেই শীতল আবহ তৈরি হয়। দিনভর প্রচণ্ড গরমে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষ বৃষ্টির ফোঁটা গায়ে মেখে কিছুটা স্বস্তি খুঁজে পান।
শহরের ব্যস্ত বাজার থেকে শুরু করে গ্রামীণ জনপদ পর্যন্ত সবার মুখে তখন একরাশ প্রশান্তি। গরমে নাজেহাল হয়ে পড়া মানুষকে যেন একটুখানি শান্তির পরশ এনে দিয়েছে এই বৃষ্টি।
স্থানীয়দের অনেকেই জানান, টানা গরমে অসহ্য পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। অনেকে গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে আজকের বৃষ্টিতে মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেয়েছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সিলেট অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পাবে এবং গরমের দাপট কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, এই বৃষ্টি কৃষি ক্ষেত্রেও উপকার বয়ে আনবে। দীর্ঘদিনের খরায় ফসল নষ্ট হওয়ার শঙ্কা থাকলেও বৃষ্টির পানিতে জমি আবারও সজীব হয়ে উঠবে।
গোলাপগঞ্জে দিনের শেষে তাই প্রচণ্ড তাপদাহ ভুলে মানুষ একপ্রকার স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে।
সম্পাদক প্রকাশক : খন্দকার মোঃ বদরুল আলম । কার্যালয়, মার্ভেলাস টাওয়ার দিত্বীয় তলা ১০/১১ নং অফিস সিলেট-গোলাপগঞ্জ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ০১৭২০৫৫৪৫৯০। ই-মেইল : gbbartanews@gmail.com