ক্রমেই আসছে পাতাঝরার দিন। প্রতিদিন নামছে তাপমাত্রা। সাঁঝ-প্রভাতে এখন দেশের প্রায় সর্বত্রই শীতের আমেজ। ছোট হয়ে আসছে দিন। দিঘল হচ্ছে রাতের প্রহর। সূর্যের তেজ ম্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছে। শেষ রাতে কাঁথা-কম্বলে ওম-উষ্ণতা নিতে হচ্ছে। আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখিরা।
সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে। সকাল ৬টায় এই স্থানটিতে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া এ সময় দিনাজপুর ও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর সিলেটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সারা দেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিন ও রাতে তাপমাত্রা কমতে পারে। এছাড়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বিষবীয় ভারত সাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বিরাজমান রয়েছে। এটি আরও ঘণীভূত হতে পারে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
তবে কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ আবহাওয়ার বিভিন্ন মডেল বিশ্লেষণ করে জানান, চলতি নভেম্বর মাসে দেশের কোনো বিভাগের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ অতিক্রমের কোনো আশঙ্কা নেই। এদিকে আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারণে মানুষ ভুগছেন জ্বর-ঠান্ডায়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা ঝুঁকিতে। তাদের সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা।
সম্পাদক প্রকাশক : খন্দকার মোঃ বদরুল আলম । কার্যালয়, মার্ভেলাস টাওয়ার দিত্বীয় তলা ১০/১১ নং অফিস সিলেট-গোলাপগঞ্জ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ০১৭২০৫৫৪৫৯০। ই-মেইল : gbbartanews@gmail.com